ধারাবাহিক

বিরূপাক্ষ কথা (তৃতীয় পর্ব)

আগের পর্ব বিরূপাক্ষ কথা #১১ কফির কাপটা সশব্দে টেবিলে রেখে চলে যাওয়ার সময় বউ আরও পড়ুন

বিরূপাক্ষ কথা (দ্বিতীয় পর্ব)

আগের পর্ব বিরূপাক্ষ কথা #৬ ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে বিদেশে একটা ভালো চাকরি পেয়ে আরও পড়ুন

ছায়া ছবির সঙ্গী (৯)

ছায়া ছবির সঙ্গী (৯)

বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়’এর যে গল্প থেকে ‘বিবাহ অভিযান’ সিরিয়ালটি তৈরী হয়, তার নাম ‘গনশার বিয়ে’। এই গল্প থেকে বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘বর যাত্রী’ হয়ে গেছে অনেকদিন। সেই চলচ্ছবি থেকেই উঠে এসেছিলেন পরবর্তী সময়ের নামী অভিনেতা কালী ব্যানার্জী। শোনা যায়, ওঁনার কথা আটকে যাওয়ার যে ঝোঁক, সেটা ওই গনশার চরিত্র করার সময় থেকেই তার সঙ্গে থেকে যায়। কারণ গনশা ছিল তোতলা।

ছায়াছবির সঙ্গী – অ আ এবং ই ঈ (৮)

আগের পর্ব কারিগরি কচকচানি অনেক হ’ল। আর ওসব আলাদা করে লিখব না। যখন যেমনভাবে আরও পড়ুন

প্রবাসীর ডায়েরি ৪

আজ আমি অসম্ভব উত্তেজিত। এত এত কথা বলার আছে যে গুছিয়ে সাজিয়ে উঠতে পারছি না। কাকে আগে কাকে পরে রাখবো ভাবতে ভাবতে দিশেহারা অবস্থা। আর বিলম্ব নয়। 'জয় জয় নির্মলার জয়' বলে শুরুই করে দি। নির্মলা আর আমার দুজনেরই অজান্তে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে নির্মলা-কাব্য। আমাকে যে ও খেরোর খাতা হিসেবে দেখে তাতে আমার সন্দেহ নেই। কিন্তু, ও এখনো পর্যন্ত জানে না, যে কেউ আড়ালে আড়ালে ওর দৈনিক সংবাদ লিপিবদ্ধ করার ভার নিয়েছে, বিনা পারিশ্রমিকে। নির্মলার রোজ কাজে আসায় আমি অভ্যস্ত। কিন্তু ও কোন দিন কী প্রসঙ্গে কথা বলবে বা আদৌ বলবে কি না তার বোতাম আমাদের দুজনের কারুর হাতেই নেই। কোন বড় মাপের যন্ত্রীর তত্ত্বাবধানেই এই খেলা সম্ভব। তাই অকারণ জোর খাটানোর প্রশ্নই ওঠে না।

অমল মহিমা লয়ে তুমি এলে- ২

ঠাকুর দেখা মানে তো শুধু ঠাকুরের কাছে যাওয়াই নয় - কে কিরকম সেজেগুজে বেরিয়েছে, পরিচিত-স্বল্পপরিচিত সমবয়সী সুন্দরী মেয়েদের দিকে ইতিউতি তাকানো, একটু হাসি, একটু ইশারা, একটু মান-অভিমান, একটু আশা-দু:সাহস - মানে চটপট প্রেমিক-প্রেমিকা বেছে নেবার মতো এরকম সুলভ সুযোগ বছরে আর দুটো আসতো না। রঙিন ফ্রক আর শাড়ির দল, সামান্য স্নো-পাউডারের প্রসাধনীতে হঠাৎ করেই প্রজাপতির মতো সুন্দরী হয়ে ওঠা মেয়েরা চোখে যেন সম্মোহনের মায়াজাল বুনে দিয়ে যেতো।

অমল মহিমা লয়ে তুমি এলে- ১

ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাওয়াটাই এ জগতের চিরাচরিত নিয়ম। কিন্তু সেই সময়ে আমরা বড্ড বেশি করে চাইতাম 'চট' করে বড়ো হয়ে যেতে। তা'হলে দাদার মতো একলা একলা সাইকেল চেপে যেখানে খুশি যেতে পারবো, বা কাউকে না-বলেই ট্রেনে চেপে কলকাতা ঘুরে আসতে পারবো, এ'সবই আর কি ! কিন্তু আজ পিছু ফিরে বুঝতে পারি যে কি সাংঘাতিক ভুল চাওয়াই না সেদিন চেয়েছিলাম। বড় হওয়া আর মেকি হওয়ার মধ্যে আদপেই যে কোনো পার্থক্য নেই, তা বোঝার ক্ষমতা সেদিনের 'সেই আমি'-র ছিলো না।

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৫

ওফ এরকম করেছিল বটে কৃষাণু। সেই ২০০৬ সালে। দিব্যি বন্ধুদের কথা শুনে বার খেয়ে, ডিকশনারি দেখে এক-পিস প্রেম পত্র সাজিয়েছিল কিন্তু সেই সঙ্গে নিজেকে সেফ-সাইডে রাখার জন্য দুই ম্যানেজারকে কপিতে রেখে মেলটা করেছিল। ফলটা হল উলটো। লেঙ্গি তো খেলোই, তার ওপর জাঁদরেল প্রজেক্ট ম্যানেজারের দাবড়ানিতে টানা দু বছর ধরে সব প্রজেক্ট / নন-প্রজেক্ট পার্টিতে নীলাঞ্জনা গাওয়া করিয়েছিল। একটা সময় কৃষাণুর মনে হত ডেকে সবার সামনে বলদ বলে কান ধরে উঠবস করালেও বোধহয় এতটা দুঃখ হত না। প্লাস ঐ চিঠিটা পড়েনি এমন কেউ পাবলিক শুধু ঐ প্রজেক্ট কেন, গোটা অপিসেও ছিল না।

ছিন্নবীণা ৫

পার্থ মুখার্জী

পার্থ মুখার্জী

পেশায় তথ্য-প্রযুক্তি - কিন্তু নেশা ছবি আঁকা। ব্যাগে সব সময় থাকে কাগজ কলম না হলে ফোন ভরসা। যে কোন মিডিয়ামে অভ্যস্ত। ও কলকাতার নবীন লেখক ও শিল্পী।
পার্থ মুখার্জী

Latest posts by পার্থ মুখার্জী (see all)

Stay high! উফ! কটা দিন টানা গাঁজা সিগারেট খেয়ে কাটানো যাবে, জাস্ট ভাবা যাচ্ছে না!! সা আরও পড়ুন

ছিন্নবীণা ৪

পার্থ মুখার্জী

পার্থ মুখার্জী

পেশায় তথ্য-প্রযুক্তি - কিন্তু নেশা ছবি আঁকা। ব্যাগে সব সময় থাকে কাগজ কলম না হলে ফোন ভরসা। যে কোন মিডিয়ামে অভ্যস্ত। ও কলকাতার নবীন লেখক ও শিল্পী।
পার্থ মুখার্জী

Latest posts by পার্থ মুখার্জী (see all)

আগের পর্ব বাজনাদার-পয়সাওলা-ব্যাচেলর আর সরস্বতী-লক্ষ্মী-কাত্তিক কথা এক কা আরও পড়ুন

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৪

জলহস্তীর মত সুরেলা কণ্ঠে প্রথম প্রশ্ন করলেন, ‘বাড়ি কোথায়?’ বললুম। তাতে চোখটা ওপরে তুলে বললেন, ‘স্টেশন থেকে কতদূর বাড়ি?’ ‘বেশিক্ষণ না – মিনিট পাঁচেক। গার্লস ইশকুলের কাছে।’ ‘গার্লস ইশকুলে কাছে বাড়ি হয়ে কোন সুবিধে হয়েছে?’ ঘাড় নাড়লাম, ‘না, হয়নি।’ সেদিন তো সবে শুরু। পরে কথাবার্তা শুনে ভালো করে চেনার পর বুঝেছি, ওনার মুখ মানেই জাঙ্গিয়া। খুললেই – যাক সে কথা।

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৩

ভদ্রমহিলা ডাকসাইটে সুন্দরীও ছিলেন। তখন ভয় পাব কি পাব না এই নিয়ে থতমত খাচ্ছি, এর মধ্যে টেস্ট স্ট্র্যাটেজি পুরো মাখনের মত নেমে গেল। সেদিন বুঝলাম, মোলায়েম ক্যাম্বেলও একটা নতুন প্রজাতি। দাবাং তো হল এই সেদিন, কিন্তু ‘থাপ্পড় সে ডর নেহি লাগতা, প্যার সে লাগতা হ্যায়’ – এই নিদেন উনি আমাকে দিয়ে গেছেন প্রায় এক দশক আগে।