মেয়েটা সোফার ওপর গা এলিয়ে পড়ে আছে, চোখ বোজা। চোখের কোণে কাজল ধেবড়ে রয়েছে। গালে সস্তার কসমেটিকসের চড়া প্রলেপ। দু-তিন প্রস্থ পলেস্তারা চাপিয়ে ব্রণর ক্ষত ঢেকেছে। ঠোঁটে লাল রঙের পুরু লিপস্টিক। হাঁ করা মুখের ওপর তিনটে নীল ডুমো মাছি ভন ভন করে উড়ছে। মাঝ রাত্তিরে হোটেলের এ সি ঘরে নীল ডুমো মাছি কোত্থেকে জুটলো কে জানে? শশাঙ্ক চান করতে যাবার আগেও দেখে গেছে আখাম্বা জগদম্বা হয়ে বসে আছে। মাঝে মাঝে ঢুকু ঢুকু চালাচ্ছে। শশাঙ্ক দু চুমুক দিয়েছে কী দেয়নি, মেয়েটা একাই প্রায় দেড় বোতল শেষ করেছে। মনে হচ্ছিল সারা পৃথিবীর তৃষ্ণা বুকের মধ্যে ভরে এনেছে। শশাঙ্কর ক্লান্ত লাগছিল। অনেকটা রাস্তা বর্ষা বাদলের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে এসেছে। মেয়েটাকে বসতে বলে বাথরুমে ঢুকেছিল।

phera

ছবি এঁকেছেনঃ পার্থ মুখার্জী

ঘন্টা হিসেবে পয়সা। মেয়েটা গ্লাস তুলে দেখিয়েছিল, “যাও সাব, আরামসে নহাও। আমি ততক্ষণ আমার গিলাস খতম করি।” আয়েস করে সোফার ওপর পা তুলে বসেছিল। দেখে মনে হচ্ছিল নিজেরই ঘর দোর। আগে হয় তো এসেছে অনেকবার। শশাঙ্কর অস্বস্তি লাগছিল। যে কোন হঠকারিতা জীবনে প্রথম বার করার সময় মনের মধ্যে একটা অশান্তি থেকেই যায়। মনে পড়ল সন্ধ্যেবেলা সুনীল বলছিল, “মুম্বইমে বারিষকা মজাহি কুছ ঔর হ্যায়!” বিকেল থেকেই ঝেঁকে ঝেঁকে বৃষ্টি হচ্ছিল। অনেক দিন পর আজ ক্লাবে সুনীলের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। শশাঙ্ক একা বোকা হয়ে একটা কোণের টেবিলে বসে ছিল। সুনীল এসে পিঠে হাত রাখলো, “ক্যায়সে হো দোস্ত?” সামনে চেয়ার টেনে বসে ওয়েটারকে হাতের ইশারায় কাছে ডাকল। শশাঙ্ক খুশিই হল। বর্ষার জন্য ক্লাবে লোকজন কম। তাসের পার্টনাররা নেই। শশাঙ্কর মোবাইলে জল ঢুকে বন্ধ হয়ে গেছে। কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। এতক্ষণ ভূতের মত চুপচাপ বসে ছিল। এখন দুটো কথা বলার লোক পাওয়া যাবে। হাত উলটে বলল, “ক্যায়সা মজা? দিনরাত জল ঝরছে। মনে হচ্ছে আসমানে পার্মানেন্ট ছেদ হয়ে গেছে।  থামবার নাম নেই। কোথাও বেরোনো যাচ্ছে না। মহা বোরিং।”

সুনীল ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালো, “হ্যাঁ, তা বটে।”

তারপর অর্থপূর্ণ হাসি দিয়ে  বলল, “বচ্‌পনকা দিন ভি ক্যা দিন থে! এই রকম বর্ষার দিনে একটা ছুঁড়িকে খুঁজে পেতে গাড়িতে তোলো আর সোজা খাণ্ডালা চলে যাও। হোটেল থেকে বেরোবার দরকার পড়বে না।” তারপর ছদ্ম বিষাদে গলা নামিয়ে বলল, “শাদি করে জিন্দেগি বরবাদ হয়ে গেছে দোস্ত। মৌজ মস্তি খতম। তেরা কেয়া হাল হ্যায়? ভাবী ক্যায়সি হ্যায়? সব ঠিকঠাক?”

দায়সারা মাথা নাড়লো শশাঙ্ক। শশাঙ্কর বৌ মীরা ছেলেটাকে বগলদাবা করে মায়কে চলে গেছে দিন দুয়েক আগে। ফোন ধরছে না। সম্পর্কটা মনে হচ্ছে দাঁড়াবে না। শশাঙ্ককে মীরার বাবার কোনদিনই তেমন পছন্দ নয়। নিমরাজি হয়ে বিয়েতে মত দিয়েছিলেন। তিনি পিছন থেকে মেয়েকে মদত দিচ্ছেন। বিয়ের সাত বছরও পুরো হয় নি। কথায় কথায় ঝগড়া-ঝাঁটি লেগেই থাকে। ক্লাবে এসে তাস খেলে টাইম পাস করা মীরার দু চক্ষের বিষ। এদিকে সন্ধের দিকটায় একবার ক্লাবে ঢুঁ না মারলে শশাঙ্কর শরীর আনচান করে। ক’দিন ধরেই মন কষাকষি, কথা কাটাকাটি চলছিল। গত পরশু ক্লাব থেকে ফিরে শশাঙ্ক দেখল ঘর অন্ধকার। মীরা খাবার টেবিলের ওপর একটা নোট ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে।

দু পেগ শেষ করে সুনীল উঠল, “চল্‌ দোস্ত আজ তুঝে পালঙ্কতোড় পান খিলায়েগা। তারপর ঘরে ফিরব।” পালঙ্কতোড় পান আবার কী বস্তু? বাপের জন্মে শোনেনি শশাঙ্ক। সুনীলকে জিজ্ঞেস করতে সে খানিকটা খ্যা খ্যা করে হাসল। তারপর শশাঙ্ককে টানতে টানতে গলির মধ্যে একটা পানের গুমটিতে ধরে নিয়ে গেল। অর্ডারি পানের একটা শশাঙ্কর হাতে গুঁজে দিয়ে আর একটা নিজে চিবোতে চিবোতে মিচকে হেসে বলল, “বাতানা কাল, ক্যায়সি লাগি। ঔর ভাবীকো জিয়াদা তং মত করনা।” শশাঙ্ক মনে মনে ভাবল, তং করার জন্য তো মানুষটাকে হাতের কাছে পাওয়া দরকার।

বিল্ডিঙে ঢোকার মুখে গাড়ি থামালো শশাঙ্ক। লোহার ভারী দরজাটা বন্ধ। ওয়াচম্যানেরও পাত্তা নেই। ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি নামল আবার। এই মুহূর্তে শশাঙ্কর বিন্দুমাত্র ইচ্ছে করছে না ঘরে ফিরতে। প্রত্যেকবার তালা খুলে ঢোকার সময় মনে হয় ফাঁকা ঘরটা তাকে গিলে খেয়ে নেবে। ভয় করে, সে আর ঘরটা ছেড়ে বেরোতে পারবে না। শশাঙ্ক গাড়ি ঘোরালো। আজ একটা পাপ করলে কেমন হয়? পালঙ্কতোড় পানের মাদক রস তার রক্তে নিঃশব্দে ছড়িয়ে পড়ছে। চৈতন্যকে অবশ করে দিচ্ছে। কেউ জানবে না সে কোথায় যাচ্ছে। শশাঙ্ক হাইওয়ের দিকে গাড়ির মুখ ঘোরালো।  একটু কষ্ট করে জানলা দিয়ে মুখ বাড়ালে দেখতো তার ঘরের জানলায় আলো জ্বলছে। মীরা ফিরে এসেছে। উদ্বিগ্ন হয়ে বার বার ঘড়ি দেখছে। পাঁচ বছরের ছেলেটাকে বলছে, “কখন যে তোর বাপ ফিরবে? মোবাইলটা স্যুইচ অফ। কোন জাহান্নমে আছে কে জানে?”

হাইওয়ের মুখেই সাজুগুজু করে মেয়েগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। পিছনে গাড়ি সারাইয়ের দোকানে টিম টিম করে হলুদ আলো জ্বলে। আজ বর্ষার রাত্তিরে, জলে কাদায় চত্বরটা ফাঁকা। একটু এগোতে মেয়েটাকে চোখে পড়ল। অন্ধকারে একা একা দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টিটা একটু ধরেছে। পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে জানলার কাঁচ নামাতেই ঝুঁকে এলো। বিড়বিড় করে ঘন্টার হিসেবটা জানিয়ে দিল। আগামের টাকাটাও। শশাঙ্ক পার্স খুলে টাকাটা বাড়িয়ে ধরে মেয়েটাকে বলল গাড়িতে উঠে আসতে। মেয়েটা হাত নেড়ে কাউকে ডাকল। একটা সিড়িঙ্গে মত লোক এসে মেয়েটার পিছনে দাঁড়ালো। কাছাকাছি কোথাও ঘাপটি মেরে ছিল নিশ্চয়। এতক্ষণ নজরে আসে নি। মেয়েটা লোকটার হাতে টাকা কটা গুঁজে দিয়ে গাড়িতে উঠে বসল, “চলো সাব। কিধার লেকে যাওগে?” পাপ করা এত সহজ শশাঙ্ক কল্পনাও করতে পারে নি।

একটা বোতলে এখনও কিছুটা তলানি রয়েছে। মেয়েটার গ্লাসও খালি নয়। ঘুমিয়ে পড়ল নাকি? শশাঙ্ক মেয়েটার নাম জানে না। জিজ্ঞেস করে নি। করে লাভ নেই। একটা বানানো নাম বলে দিত। পরে সেই নামে ডাকলে সাড়া দিত না। খাণ্ডালা ঘাটের এই হোটেলটা হাইওয়ে থেকে একটু ভেতরে। থাকার বন্দোবস্ত মন্দ নয়। বাথরুমে গরম জলের ব্যবস্থা আছে। এসে পৌঁছোনোর পর দু বোতল পানীয় আর অল্পস্বল্প কিছু নাস্তার অর্ডার করেছিল শশাঙ্ক। মেয়েটা একাই সেগুলো সাবাড় করেছে। এখন নাক ডাকিয়ে ঘুমোচ্ছে। শশাঙ্ক মেয়েটার কাঁধে মৃদু ঠেলা দিয়ে ডাকল। মেয়েটা সোফার ওপরই কেত্‌রে পড়ল।

একটা ভয় শশাঙ্কর মেরুদণ্ড বেয়ে হিম হয়ে নেমে গেল। সে মেয়েটার নাকের কাছে হাত নিল। নিঃশ্বাসের অনুভব পেল না। মেয়েটা নিথর হয়ে পড়ে আছে। একটু সময় লাগলেও শশাঙ্ক বুঝলো মেয়েটা মরে গেছে। শশাঙ্ক যখন বাথরুমে ছিল তখন কি কেউ ঘরে এসেছিল? অথবা মেয়েটা হয় তো আগে থেকেই অসুস্থ ছিল। কেন মরেছে, কীভাবে মরেছে সেটা বড় কথা নয়। ব্যাপার হল যে সে খাণ্ডালা ঘাটের একটা অজানা অচেনা হোটেলে মাঝ রাত্তিরে একটা অপরিচিত মেয়ের প্রাণহীন শরীরের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। নাম জানা দূরে থাক, মেয়েটাকে সে সন্ধ্যের আগে চোখে পর্যন্ত দেখে নি। শশাঙ্ক চিন্তা করতে পারছিল না। জানাজানি, থানা পুলিশ হবেই। তার আগে এই ঘরটা ছেড়ে পালাতে হবে। শশাঙ্ক টলটলে পায়ে গিয়ে দরজার নব ঘুরিয়ে টান দিল। দরজা খুলল না। ভারি প্লাইউডের দরজা বাইরে থেকে লক্‌ড।

ঘরের সঙ্গে লাগা একটা ছোট্ট ব্যালকনি ছিল না? শশাঙ্ক এগোলো। ব্যালকনিতে যাবার কাঁচের দরজাটা একটানে খুলে বাইরে এলো। এখনও টিপ টিপ করে বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। এটা হোটেলের পিছন দিক। প্রায় তিরিশ ফুট নীচে একটা ঘাসের লন। সংকটে পড়লে মানুষ কী না করতে পারে? ব্যালকনির পাশ ঘেঁসে একটা জলের পাইপ নেমে গেছে। শশাঙ্ক তার ওপর পা রাখলো। ঘসা লেগে তার কনুই হাত ছড়ে যাচ্ছে। জামায় দেওয়ালে জমে থাকা ভিজে শ্যাওলা উঠে আসছে। নীচে ঘাসে পা রাখতেই গোড়ালি অব্দি কাদায় ডুবে গেল। গাড়িটা হোটেলের সামনে পার্ক করা আছে। শশাঙ্ক সাবধানে এগোলো। পা টিপে টিপে পোর্টিকো পেরিয়ে যাবার সময় দেখলো হোটেলের রিসেপশন কাউন্টারে সেই সিড়িঙ্গে লোকটা দাঁড়িয়ে আছে। কাউন্টারে কথা বলছে। হাইওয়েতে মেয়েটার পিছনে ছায়ার মত এসে দাঁড়িয়েছিল। লোকটা এখানে কী করছে? হোটেলের খাতায় শশাঙ্ক নিজের নাম দেয়নি। কী মনে করে নাম লিখেছিল – সুনীল। মোবাইল নম্বরটাও সুনীলের। সঙ্গিনীটিকে দেখে কাউন্টারের লোকটা বেশি কিছু জিজ্ঞেস করেনি। শশাঙ্ক গাড়িতে স্টার্ট দিল। সে উইণ্ডস্ক্রীনের মধ্যে দিয়ে দেখতে পাচ্ছে শব্দ পেয়ে লোকটা পিছন ফিরল। খাড়া নাকের ওপর তার জ্বলজ্বলে ধূর্ত চোখে অস্থিরতা। শশাঙ্ক আর দেরি করল না। দ্রুত ইউ টার্ণ নিয়ে রাস্তায় উঠলো। একটু এগোলেই পুণে-মুম্বই পুরোন হাইওয়ে। হোটেলটা থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দূরে চলে যেতে হবে। শশাঙ্ক এক্সেলেটরে পায়ের চাপ বাড়ালো।

হাইওয়েতে পড়ে আট দশ কিলোমিটার যাবার পর শশাঙ্ক বুঝলো প্রথমবার পাপ করার জন্য সে ভুল সন্ধ্যে বেছেছিল। গাড়িটা দুবার নৌকোর মত দুলে থেমে গেল। অন্য সময় হলে বনেট খুলে হাত পা মারত। কিন্তু এখন এই মানসিক অবস্থায়, মাঝরাতে ঝড় জলের মধ্যে সে চেষ্টা করা বোকামি। তাছাড়া যে লোকটা মুম্বই থেকে খাণ্ডালা ধাওয়া করে এসেছে সে এত সহজে তার পিছু ছাড়বে বলে মনে হয় না। শশাঙ্ক গাড়ি ছেড়ে রাস্তার ধার ঘেঁসে দাঁড়ালো। দূরপাল্লার ট্রাক পেরিয়ে যাচ্ছে একটার পর একটা। তিন নম্বর ট্রাকটা তার হাত নাড়া দেখে থামল। শশাঙ্ক ড্রাইভারের পাশে উঠে বসল। ড্রাইভার গাড়ি ছেড়ে জিজ্ঞেস করল, “এই ভূতিয়া যায়গাটায় কী করছিলে সাহাবজি?”

শশাঙ্ক একটু অবাক হল। “গাড়ি বন্ধ্‌ পড় গয়া। কিন্ত ভাইসাব, ভূতিয়া কেন?”

ড্রাইভার বলল যারা এই রাস্তায় গাড়ি চালায় সবাই জানে এই যায়গাটায় প্রায়ই একটা অশরীরী গাড়ি থামানোর জন্য হাইওয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ে। কোন ড্রাইভার গাড়ি থামায় না। তার ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয়। সে হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। শশাঙ্কর কৌতূহল হল, “তাহলে আমার জন্য দাঁড়ালে কেন?”

ড্রাইভার চোখ মট্‌কে বলল, “ভূতে কি ঘড়ি পরে? তোমার হাতঘড়িটা হেডলাইটের আলোয় ঝলসে উঠলো। তাই থামালাম।”

শশাঙ্ক একটু থেমে ঘড়িটা হাত থেকে খুলে দিল, “শুক্রিয়া ভাইসাব। আপ ইসে রাখ লো।”

“আরে নেহি নেহি সাহাবজি…” বলতে বলতে ড্রাইভার কনুইয়ের খোঁচা মেরে শশাঙ্ককে দেখালো একটা অস্পষ্ট অবয়ব রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ছে। গাড়ি থামাতে বলছে। ওয়াইপারের চলাচলের মধ্যে দিয়ে শশাঙ্ক দেখল সেই সিড়িঙ্গে লোকটা – খাড়া নাক, ধূর্ত চোখ। ও নিশ্চয়ই জানে ট্রাকে শশাঙ্ক রয়েছে। হয় তো ফলো করছিল। ড্রাইভার বিন্দুমাত্র গতি না কমিয়ে ট্রাকটাকে হাইওয়ের ওপর উড়িয়ে দিল। একটা ধাক্কা, ভোঁতা শব্দ। ড্রাইভার নিজেও কিছুটা অবাক হল। কিন্তু ট্রাক থামালো না। শশাঙ্ক লম্বা করে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। ঠিক সেই মুহূর্তে শশাঙ্কর পকেটে রাখা মোবাইলটা বেজে উঠলো। জল শুকিয়ে মোবাইলটা আবার আপনা থেকেই চালু হয়ে গেছে। মীরা ফোন করছে। তার গলায় উৎকণ্ঠা, “কোথায় তুমি। ঘরে ফেরোনি কেন? মোবাইলটাও স্যুইচ অফ। আমরা ভেবে ভেবে অস্থির।”

শশাঙ্কর চোখ ফেটে জল এল, “তোমরা ফিরে এসেছো? পুণে গিয়েছিলাম, অফিসের কাজে। গাড়ি খারাপ হয়ে গেছে। ঘন্টা খানেকের মধ্যে ফিরছি। চিন্তা কোরো না।”

Latest posts by সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় (see all)