“Go ভিড়ে যাও, আরও Go ভিড়ে যাও…” – পুজো শপিং’য়ের মরশুমে গড়িয়াহাট মোড়ে দাঁড়িয়ে অনুপম রায়।

হনুমান। সে একটি বার হনুমান বলে ডেকে, মিচকি হেসে, আঁচল ভাসিয়ে, মণ্ডপ আলো করে চলে যাবে। এ আশায় জিন্দেগী বয়ে গেল।

প্রেম একবারই এসেছিল নীরবে। তখন মণ্ডপে ঢাকের বাদ্যির সে এমন তেজ, পেটো পড়লেও টের পাওয়া যেত না। হু দ্য হেল ইজ প্রেম।

-আড্ডা-চেক।খাওয়াদাওয়া-চেক।মণ্ডপে আড্ডা-চেক।ল্যাদ-চেক।পুজোসংখ্যা-চেক।অ্যাম রেডি ফর পুজো।

-দেবীদর্শন?

-ঝাড়ি?

-দুর্গাঠাকুর বে

-ওহ সরি

আমি বিজলিগ্রিলের কর্ণধার হলে বছরে চারদিন নিজের সংস্থার নাম পাল্টে পুজোলিগ্রিল রাখতাম। গিমিক্‌টা পাবলিকে খেত।


এবার পুজোয় কী করিব না


৫-

আনন্দবাজার বা অন্য কোনো খবরের কাগজ বাদ। স্রেফ গুলতানি ও মেনুকার্ড রইবে সাথে।

৪-

পোস্ট পুজো অফিসের চিন্তায় ল্যাদ খাব না। জন্মিলে মরিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

৩ –

পাড়ার মণ্ডপে আড্ডা বাদ দিয়ে ড্যাং ড্যাং করে প্যান্ডেল প্যান্ডেল ঘুরে ঠ্যাংকে চাবকাবো না।

২-

অষ্টমীর খিচুড়ি-লাবড়া-বেগুনীকে অবহেলা করে শাড়ির মনমোহিনী ভিড়ে নিজেকে ভেসে যেতে দেব না।

১-

সপ্তমীর দিনে, আহ্লাদে; ফুচকার সাগরে ঝাঁপ দিয়ে মোগলাই ডিনারে নিজের কেতায় কমতি আনবো না। না না না।

Latest posts by তন্ময় মুখার্জী (see all)