পুজোর ছবি অনেক রকম। এক এক করে বলি। আমি যখন অনেক ছোট তখন মহালয়া বলতে ছিল দূরদর্শনের প্রোগ্রাম। খুব ভোরে যখন রেডিওতে মহালয়া বাজত তখন আমি কিছুতেই উঠতে পারতাম না ঘুম থেকে। বাবার কাছে অনেক শুনেছি বীরেন্দ্রকৃষ্ণের কথা, কিন্তু সে সময় ভাল বুঝতাম না। তারপর অনেক দিন কেটে গেছে, অনেক পুজোও কলকাতার বাইরে কাটিয়েছি। মহালয়া আর তেমন ভাবে মনে দাগ কাটেনি।

বছর দুই আগে, কোনভাবে মহালয়ার সেই ঐতিহ্যবাহী পাঠ আমার হাতে আসে এমপিথ্রি হিসেবে। একটু আধটু শুনলেও পুরোটা কখনো শোনা হয়নি। প্রতিবারেই মনে হত যে সময়ে শোনার কথা, ঠিক সেই সময়ে না শুনলে, সেই অনুভূতি কোনদিনই আসবে না। সে বছর আমি প্রথম পুজোর সময় দেশের বাইরে আর কর্মসূত্রে এমনভাবে ব্যস্ত, যে ঠাকুরের মুখ দেখতে পাব কিনা এই নিয়ে সন্দেহ আছে। এই নিয়ে ভিতরে ভিতরে একটু হলেও মুষড়ে আছি। জানতাম আজকে মহালয়া। কিন্তু কি আর করা। আশ্চর্য প্রায় বছর পাঁচেক আগের কথা – অথচ সেদিনটা আমার খুব মনে পড়ে।

সকালে বেশ ভোরের দিকেই ঘুম ভেঙে গেল। আমার বউ বললে, “তোমার ল্যাপটপে তো মহালয়া আছে, একটু চালিয়ে দিয়ে এস না, শুনি” আমি ও ঘুম-চোখে উঠে চালিয়ে দিলাম। শুনতে শুনতে মনে হচ্ছিল, “মা’র আসার সময় হয়ে এলো। কিন্তু এই বিদেশ বিভূঁইয়ে কি মা আসবেন? এখানেও কি দেবপক্ষ চলে?” এইসব ভাবছি, তারপরে মনে হল – মা তো আর সত্যিই আসেন না, আসেন আমাদের মনে। তা আমরা যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের মধ্যে মা আসছেন এই অনুভূতি জেগে ওঠা মানেই তো মহালয়া সার্থক। দেশের হিসেবে হয়তো ঠিক সেই সময়টা মহালয়ার মুহূর্তকাল নয়, তবে আমি যেখানে থাকতাম, সেখানকার স্থানীয় সময়ের হিসেবে সকালটা তখনও শেষ হয়নি। তাই মনে হল, মহালয়ার রেশটুকু আছে। আমার এখন অফিসের জন্য তৈরি হওয়ার কথা, তবু মনে হল – মাঝখান থেকে অনেকগুলো বছর যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। আমি আবার সেই কিশোর – মহালয়া শুনে মহানন্দে অপেক্ষা করছি ষষ্ঠীর জন্য।

বেশ কয়েকটি পুজো কাটিয়েছি বিলেতে। লন্ডনের পুজোর কথা – বিশেষ করে খবরের মিডিয়ার কল্যাণে ক্যামডেন হয়তো অনেকের কাছেই একটা পরিচিত নাম। তাই সেই নিয়ে নতুন করে কিছু বলছি না। সত্যি কথা বলতে কি কিংস ক্রশ থেকে হাঁটা পথে এই কমিউনিটি হলে প্রায় সাহেব হয়ে যাওয়া বাঙালিদের ভিড়ে আমার নিজেকে বড়ই বেমানান লেগেছে। কিন্তু আজ বলব একটা অন্য গল্প। সে বছর আমরা ছিলাম কার্ডিফে। সেখান থেকে লন্ডন যাতায়াত করা একটু মুশকিল। ওদিকে অফিসও চলছে সমান-তালে। এমন সময় খোঁজ পেলাম কেয়ারফিলির বাঙালি অ্যাসোসিয়েশনের। সেখানে একটা কমিউনিটি হল ভাড়া করে পুজো হয়। আজ থেকে পঁচিশ ত্রিশ বছর আগে তারা দেশ ছেড়ে এসেছিলেন – অধিকাংশই ডাক্তার, কেউ কেউ সরকারি চাকরি করতেন। তারপর আর দেশে ফিরে যাননি। কেয়ারফিলি বেশ কাছেই – ট্রেনে বা ট্যাক্সিতে যাওয়াও সহজ বলে আমরা দলবল বেঁধে রওনা দিলাম।

সেদিন আমি বসেছিলাম স্টেজের সামনে একটা চেয়ারে। আমার বউ দিব্যি মেয়েদের ভিড়ে মিশে গেছে, মালা-টালা গাঁথছে, জোর জোগাড় চলছে। মণ্ডপের পিছনের দিকটায় একটা রান্নাঘর। সেখানে পাঁঠার মাংস রান্না করছে কয়েকজন – আমি একবার গিয়ে চলে এসেছি। মাংস রান্নার ফাঁকে ফাঁকে চলছে বিয়ার। বিয়ার খাওয়া আর মাংস রান্নাই যদি করার ছিল তাহলে পুজো কেন – একটা গেট টু-গেদার করলেই তো হত। এইসব ওলট পালট চিন্তাধারা যখন মাথার মধ্যে ঘুরছে তখনই টিনা নেমে এসে বললে, ‘এই শোন না, একটু হেল্প করবে – ওরা বলছে পঞ্চপ্রদীপ আর কয়েকটা কাঁসার বাসন একটু ধুয়ে আনতে হবে। আমি একা পারব না। তুমি যাবে একটু আমার সাথে? আর তাছাড়া জল কোথায় আছে তাও জানি না।”

বললাম, “চল”। হলের উল্টোদিকে আরেকটা কিচেন আছে। সেখানে সিঙ্ক দেখেছিলাম একটা। সেদিকেই গেলাম দুজনে। একটা লিকুয়িড ওয়াশ আছে বটে। কিন্তু কোন গ্লাভস নেই। কলটা খুলে দেখলাম শুধু ঠাণ্ডা জলই পড়ছে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, “আমাকে দাও। তোমার ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।”

প্রথমেই পুজোর ঘটটা নিয়ে পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখি কালো কালো কিছু লেগে আছে। ময়লাই হবে। তেলচিটে দাগ থাকতে থাকতে জমে বসে গেছে। আগের বছর পুজোর পরে একটু ধুয়ে রাখতে পারেনি কেউ? বিরক্তি চেপে রেখে হাত লাগালাম। একে ঠাণ্ডা জল। ঠিক করে ঘষতেই অসুবিধে হচ্ছিল। কিন্তু আমার অনেক চেষ্টাতেও কিছু উঠল না। বললাম, “আচ্ছা এটা থাক। একটু তো ভিজেছে। দেখি পরে ওঠে কিনা।”

এর পরে প্রদীপ, কিন্তু তাতেও একই অবস্থা, হাতটা বরফঠান্ডা জলে জমে হিম হয়ে আসছিল। ভাবছিলাম বউয়ের সামনে বীরত্ব ফলিয়ে বাসন মাজতে না নামলেই ভালো ছিল। সিঙ্কে সাধারনতঃ দুটো কল থাকে। একটায় গরম জল পড়ে। এখানে একটাতেও সে ব্যবস্থা নেই। এদিকে প্রদীপের অবস্থার কোন উন্নতি নেই।

“কি গো তুমি কি পারবে? না আমি একটু দেখবো?”

হাল ছাড়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না। বললাম, “দেখছো না ঘষেও ময়লা উঠছে না”

এই চলছে। এমন সময় মিতুল জেঠিমা এসে হাজির হলেন কোত্থেকে। “আরে তোমরা এখানে? আর আমি কিনা ঐ দিকে খুঁজছিলাম। ধোয়া হয়েছে?”

“ধুচ্ছি জেঠিমা। কিন্তু ঐ ময়লা তেলচিটে দাগগুলো যে উঠছে না”

“আরে না না, দেখো কাণ্ড। ঐ দাগ তুলতে কি তোমায় বলেছি নাকি? ও কত বছরের দাগ। এত সহজে কখনও ওঠে? এমনি একটু ধুয়ে নিলেই হবে। যা করেছ ঐ অনেক। চল এখন এই নিয়েই চল। পুজো বসবে। আমি ঘটটা নিয়ে গেলাম’, এই বলে জেঠিমা চলে গেলেন। আমার আগেই বোঝা উচিত ছিল, ও দাগ কখনোই ওঠার নয়।

সেবার পুজোর ঠিক আগে আগে অনেকদিন পর ফিরেছি দেশে। কোথাও যেন একটু বেমানান লাগছে নিজেকে। সবাই কি মজার নিয়মে আছে। একটা কাজে ষষ্ঠীর দিন গেছি শিয়ালদা স্টেশনে। উপচে পড়ছে ভিড়। দিন দুপুরে এরকম ভিড়? এখনও তো পুজোর ভিড় পথেই নামেনি – তবে? তা সে যাই হোক, পথে নেমে পড়েছেন অনেক অনেক মানুষ। হরেক ধান্দায়। এই একটা টানা-রিক্সা পাশ কাটাচ্ছি, তো এই মুটে। এই একটা কুকুরের লেজ সামলে একটু হলে যেন পা দিয়ে ফেলছিলাম ফুটপাথে মোবাইলের পশরায়। জনা কয়েক বাবু টিফিন সারছেন মাঝের এক গলিতে।  হাঁকাহাঁকি হচ্ছে লটারির টিকিট – এক লক্ষ টাকা পেলে আপনি কি করবেন? আর এক ঘণ্টায় ফলাফল। হাঁকাহাঁকি হচ্ছে লেবুর জল ও লস্যি নিয়ে। সবসময় মনে হচ্ছিল এই মনে হয় কারও পার্সোনাল স্পেসে পা ফেলেছি। আদপে তা ওরকম কিছু না।  কার স্পেস কতটুকু এই নিয়ে সবারই  সন্দেহ আছে। তাই সব্বাই ছুটছে। সেই সঙ্গে ছুটছে ঘামের ফোয়ারা। অনেকদিনের বন্ধ দরজা খুলে পথে নেমেছে শরীরের সমস্ত ঘর্মগ্রন্থি। কুলকুল ঘামছি, রাস্তা পার হওয়ার আগে ঘাবড়াচ্ছি – আর মনে মনে ভাবছি কতভাবে জীবনের স্রোত বইছে এ শহরে। কত রকম শব্দ, কত গন্ধ। কি অদ্ভুত এই আমেজ। ফুটপাথে পশরা, তো রাস্তায় ঠেলাওলা। বছর দেড়েক বোতাম টিপে রাস্তার সিগন্যাল পেরনোর অভ্যেস হয়েছে। এখানে রাস্তা পার হতে গিয়ে হিমসিম। এদিকে অটো তো ওদিকে বাস। এদিকে লরি তো ওদিকে টানা রিক্সা। দেদার চলেছে সব্বাই। টুকটাক সবাই দিব্যি পার হয়ে যাচ্ছে রাস্তা। খানিক অবাক হয়ে দেখলুম। জীবনের কি স্রোত। এর তুলনা হয় না। এদিকে জুতো পরার বদভ্যাসে বাঁপায়ে খানিক ফাটার ও কড়ার অন্তর্লীন ফাঁড়া। একজনের ডাকে হুঁশ এলো – ‘বাবু, ওরকম করে দাঁড়ালে দিনভর দাঁড়িয়েই থাকতে হবে’

‘ঠিক ঠিক। তোমার কথাই ঠিক’

রাস্তা পেরোনো গেল তবু কোনরকমে। কার্যসিদ্ধি হল না। যাইহোক, অনেক ঝক্কি পুইয়ে, ঘাম ঝরিয়ে বাড়ি ফেরা গেল। হাতের কাছে কলকাতার পুজো, তবু কেমন যেন টানছিল না। আবার ঐ আলো, মণ্ডপ, পোকা। কলকাতায় প্রতিবারেই কিছু না কিছু অপচয় করা হয়। কখনো সুপুরি, কখনো বাচ্চাদের খেলনা, কখনো দেশলাই, মাটির ভাঁড়, অ্যালুমিনিয়ামের বাসন বা নিদেনপক্ষে পেনসিল। এবারেও সেরকম একটা কিছু নিশ্চয়ই হয়েছে। বছর দুই হল, তবু কলকাতার পাড়াটা ঠিক নিজের হয়নি। অবশ্য অন্যদের কতটুকু হয়েছে সে প্রশ্ন অবান্তর।

আপনাদের মধ্যে মফঃস্বলের লোক কজন? আসলে কি আমার মনে হয় যারা মফঃস্বলের, তারা চিরকালই মফঃস্বলের। বলতে গেলে সেভাবে রাত জেগে কলকাতার ঠাকুর দেখেছি কুল্লে একবার। এতদিন হল – এখনও সেই একই রকম। ছোটখাটো পুজো, অল্পস্বল্প আনন্দ, পাশের পাড়ার সাথে রেশারিশি আর কটা দিন মোটামুটিভাবে বাড়ির বাইরেই কাটানো – এই নিয়ে আমাদের আনন্দ। সেখানেও অনেক দিন পর বাড়ি ফিরে চক্ষু চড়কগাছ – যেখানে প্যান্ডেল হত, সেখানে গজিয়েছে এক মন্দির। এ শুধু আমাদের পাড়ার কাহিনী নয়, মফঃস্বলের অনেক পাড়াতে এটাই হাল আমলে ফ্যাশন। বছর বছর প্যান্ডেলের খরচ বাঁচল – আর ছেলেপুলেদের আড্ডা মারার একটা স্থায়ী জায়গাও হল। মন্দির বলে কথা – কেউ বারণও করতে পারবে না।

সেটা বিয়ের পরের প্রথম পুজো। তাই মিয়া বিবি মহা আনন্দে বেরিয়ে পড়েছি টহল দিতে। মাঝে মাঝে বৃষ্টি ধুয়ে দিতে সপ্তমীর দিনে ভিড়টা বেশ ফরসাই ছিল বলতে গেলে। ব্যারাকপুর থেকে জগদ্দল অবধি মণ্ডপগুলো মোটামুটি চষে ফেলা গেল। তারপরের দিনই বোঝা গেল পুজো কাকে বলে। পাড়ার ছোট ছোট রাস্তায় যখন পথচলতি লোকের সাথে গা ঠোকাঠুকি, তখন সত্যি কথা বলতে কি রিকশার প্যাঁপু শুনেই বা কোথায় যাব আর মোটরসাইকেলকেই বা কোথায় পাশ দেবো। গড়গড়িয়ে চলতে চলতে এক ব্যাটা রিকশা-ওলাকে বললুম – “ওরে ভাই, একটু দাঁড়া। এই ভিড়ে যাবিই বা কোথায়?”

তো সে বললে, “তার আর আমি কি জানি। আমার কাজ হর্ন দেওয়া। তাই দিচ্ছি”

এর মধ্যেই কোনও রকমে ভিড় ঠেলে, কাদা মাড়িয়ে, কুকুরের লেজ বাঁচিয়ে, শব্দ-কল্পদ্রুম হয়ে ঠাকুর দেখা গেল।

নবমীর দিন আমাদের প্যান্ডেলে আবার ভূরিভোজন – ভাত, ডাল, আলু-ভাজা, পটলের ডালনা, মাছ, চাটনি, পায়েস। খেতে গিয়ে দেখি কাউকে তেমন চিনতে পারছি না। জিজ্ঞেস করলাম, “এত লোক, এরা কারা সব?”

“আরে দেশের বাইরে থাকলে কি টের পাবে কত ফ্ল্যাট গজিয়েছে? কত লোক এয়ে-চে –”

“তো এলোই বা কোত্থেকে? আর আসছেই বা কেন?”

অমনি চুপ।

কেউ জানে না কোত্থেকে এত লোক আসছে। তবে আসছে বটে। মফঃস্বল আর সে মফঃস্বল নেই। রামও থাকল না, অযোধ্যাও থাকল না আর মফঃস্বলেরই বা দোষ কি। কেউ কাউকে চেনে না। ভিড় বাড়ছে। সমুদ্দুরে সবাই ভাসছে যতক্ষণ ভাসতে পারে। একজন ডুবলে সেখানে আবার আরেকজন মাথা তুলবে। ভেঙে-চুরে আবার নতুন গড়তে গড়তে গোটাকয়েক বছর পর সব কেমন দেখাবে কে জানে!

অষ্টমীর দিন অঞ্জলি দিতে দিতে কেমন আনমনা হয়ে গেলাম। সবাই ফুল বেলপাতা কচলে মাইকে বাজা মন্ত্রের সাথে তাল মিলিয়ে তারস্বরে চাইছে – আয়ুর্দেহি, যশোদেহি, তোমার ঝুলিতে যা যা আছে তা সব দেহি দেহি। কিরকম অস্বস্তি লাগছিল। সবাই যেটুকু পেয়েছে, তার বেশী আর কিই বা পাবে? এই প্রার্থনায় কি সব পাওয়া যাবে? কিরকম খাপছাড়া যেন এই চাওয়া পাওয়ার হিসেব। ঢাক বাজছে, কাঁসর বাজছে। তবু বেমালুম হারিয়ে যাচ্ছিলুম।

মাইকে বাজছে, ‘এবার সবাই আপনারা হাতজোড় করে প্রণাম করুন। কেউ প্রণামী ছুঁড়বেন না। আপনাদের কাছে ঝুড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’

বললাম, ‘মা, যদি দিতেই পারো তবে শুভবুদ্ধি দাও, সব্বাইকে। সকলের মনের অন্ধকার দূর কর-’

এই তো গেল পুজোর কথা। খুব সহজেই জড়িয়ে পড়ছিলাম অপরিচিত সব স্মৃতির সঙ্গে। স্মৃতি তো শুধু কোন একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, তার সঙ্গে সকলের খুব আন্তরিক কোন না কোনও অনুভূতি জড়িয়ে আছে। লিখতে লিখতে সেইসব স্মৃতির রঙ যেন মেখে নিচ্ছিলাম নিজের অজান্তেই। পুজো বলতে এখনও একটা কথা খুব মনে পড়ে। আর সেবছরই আমরা যে প্রথম ইস্কুলে মহিষাসুর-মর্দিনী স্তোত্র শিখেছিলাম। অর্গলা স্তোত্র শিখেছি অনেক আগেই। কিন্তু ‘রূপং দেহি, জয়ং দেহি, যশো দেহি, দিশো যহি’ সুরের চেয়ে ‘অয়ি গিরিনন্দিনী, নন্দিত মেদিনী, বিশ্ববিনোদিনী শৈল-সূতে’ সুরটা আমার অপূর্ব লাগতো। এখনও লাগে।

আপনাদের জন্য বিজয়ার অনেক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।

Latest posts by অভ্র পাল (see all)