Top_Tapas Royবক বকম, বক বকম — মর্দা পায়রারা মাদা পায়রার সামনে দাঁড়িয়ে ডেকে ফিরছিল। রোজকার সুর ভাজা। খোপ থেকে বেরিয়েছিস, এখন খা দা, ঘোর ফের, আকাশটা উড়ে বেড়া, তা নয়–সেই খোপের পাশটিতে বসে ঘুরুর ঘুরুর–প্র্মীর মনের কথাটা নিয়েই যেন পাড়াতুতো মাসি প্র্মীর দিকে তাকিয়ে হেসে বলে ওঠে, দেখ, দেখ, মর্দাগুলি ঘুরে ঘুরে মাদীগুলির মন কামনার কি রকম ফন্দি দেখেছিস !

–এটাই তো নিয়ম গো মাসি! এমনটাই সব জাগায় দেখবা, প্র্মীও হেসে বলে ওঠে ।

–তাই বুঝি? তোমার রাখাল নাগর তোমায় ঘুরে ঘুরে চক্কর মারে বুঝি !

–কি যে বল না মাসি! কবুতরের সঙ্গে আমার তুলনা? মাইনসে শুনলে কিন্তু আমার কুল মান যাইব !

–কুল আবার মান! ডালে ডালে পাতায় পাতায় চলা মাসীও কম যায় না, বলে, এত কিছু দেখলে পিরীতি চলে না বাপু !

ঠিক এমনি সময় শ্যামের বাঁশরি বেজে উঠলো, যার অপেক্ষায় সময় গুনছিল প্রমী। প্র্মীর ডাক এসেছে ।

মাসি এসব জানে,বলে,কি গো,কদম তলায় ফুল ফুটল,কেষ্ট ঠাকুরের বাঁশি বেজে উঠেছে গো ! মাসি মুচকি হেসে নিজের কাজে বেরিয়ে গেল ।

প্রমী ভাবল, মাসী তো আমার মনের মাসি, সে যা  খুশি বলুক। ওর মনে গানের উদয় হল, তোরা যে যা ভাবিস ভাই, আমার শ্যামের বাঁশি চাই, মনের মধ্যেই ও গুনগুনিয়ে উঠলো।

প্র্মীর মনে ফুল ফুটছিল, বেলা এগারটার খরা রোদের তাপ অনেকটা আগুনের কাছাকাছি হলেও এক আমেজী উষ্ণ দ্রবীভূত অবস্থা ক্রমশঃ তার মন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছিল। ওই রাখাল এসেছে–ওর কাঙ্ক্ষিত প্রেমিক রাখল এসেছে। সে তাকেই ডাকছে। ওর বাঁশি বেজে ওঠা মানে তার আর বসে থাকার জো নাই! প্র্মীর বুকের মাঝে কেউ যেন বার বার ঠেস মারে—যাও, যাও, তোমায় ডাকে গো…মনের জপ কি আপনা আপনি হয় গো ! সত্যি তাই, প্র্মীর ঘন ঘন শ্বাসের সঙ্গে দিক বিদিক জ্ঞান শূন্যতার এক ভাব যেন ভর করে আছে–আর তো থাকা যায় না, আশপাশের লজ্জা ভয় ঘৃণার তাড়না এখন তার কোথায়? প্রেম যে অন্ধ গো! এ কথা কত আর বোঝানো যায়–প্রমী হেঁটে চলেছে মাঠ ঘাট ময়দান পার করে জমির সরু আল বেয়ে ওই কদম গাছ–যদিও বট গাছ ওটা…আসল কদম গাছ এখন কটা বা আছে–আর ওই কৃষ্ণ, না কেষ্ট–ওরফে রাখাল, ওর বাঁশির সুর ত এখন সপ্তমে চড়ে আছে !

 দূর থেকেই রাখালের চোখ পড়ে প্র্মীর দিকে—রাখালের ঠোঁটের দু কোন,গাল বেয়ে লটকে আছে হাসির রেখা ।

জাগাটা সামন্য  নির্জনতা ঘেরা, বটের তলায় যে সাধুর বাস সে এখন ভেনিস হয়ে আছে–আসলে সাধুর একটা পেট বলে বস্তু আছে–তাকেও পেটের ডাকে সাড়া দিতে হয়, তাই তাকে প্রায়ই দিন ভর খুঁটে খেতে বেরোতে হয় লোকালয়ে। এখন এই বট তলার আশপাশটায়  শান্ততা বিরাজমান। দূরের ফসলের খেতে এদিক ওদিক দু চারজন চাষের কাজে ব্যস্ত। তাদের চোখ এত দূর আসলেও, স্পষ্টতা বড় কম। তারা ভালো করে ঠাওর করে উঠতে পারবে না যে কোন্ নায়ক নায়িকার পালা এখানে চলছে ! আর তা ছাড়া কাজ ফেলে এত দূরবিনী চোখ নিয়ে দেখার অবকাশ তাদের কোথায় !

প্রেমিকা এখনও আনটাচড, সদ্য ফোটা না হলেও মধুপের কোরক স্পর্শ ঘটেনি  জীবনে। কিন্তু রাখাল? তার বাঁশি যে ফেটেছে! ফেটেছে বলাটা বোধ হয় ঠিক হবে না, বলা যায় অনেক বার চিড় ধরেছে ।

প্রমী এসে রাখালের সামনে দাঁড়ালো। হাসি হাসি মুখে–যেমনটি ফুল মেলে ধরে তার পাপড়ি–আকাশের দিকে–তারপর উদার উদাস ভাবনা নিয়ে মৃদু মন্দ হাসি ফুটিয়ে রাখে তার মুখে, ঠিক তেমনি ।

আলাদা একটা ফুঁৎকার শব্দ হয়ে থেমে গেল রাখালের বাঁশি।

–এত দেরী করলি কেন? অভিমান যেন রাখালের সুরে ধরা পড়ছিল ।

–কৈ? আমি তো একটুকো দেরী করি নাই, ঈষৎ হাসি ছড়িয়ে দিয়ে বলে ওঠে প্রমী ।

–তবে আয়, আমরা দুটিতে পাশাপাশি বসি, রাখালের মনে ডগ মগ খুশির ঢেউ !

না,কেউ যদি দেখে ফেলে–এই বন বাদাড়ে খোলা মাঠের মধ্যে—প্রমীর মুখে চোখে ইতস্তত লজ্জার ভাব ফুটে ওঠে।

–কে দেখবে ক? চল সাধুর ওই বসার থানে পাথরতে গিয়া বসি আমরা, রাখালের কণ্ঠ থেকে বিনীত সুর ঝরে পড়ে ।

–না,না,সাধু বাবার থানে আমি বসুম না ।

–কেন, কি হবে? ভস্ম কইরা দিব নাকি ?

প্র্মীর হাত ধরে টেনে নিয়ে রাখল সাধু বাবার থানের সপাট পাথরের ওপর বসলো। দুজন  গুঞ্জরনে, মধুর আলাপে কখন যেন নিজেদের হারিয়ে ফেলল ।

এদিকে রণ প্রমীকে খুঁজতে বেরিয়েছে। প্রমী তার ছোট বোন। ও অনেক সময় ধরে ঘরে নাই–দিন কাল বড় খারাপ–সময় সুযোগ পেলে বয়স্থা মেয়েদের আর রক্ষা নাই–পথে ঘাটে টোপ লাগানোই থাকে। না জেনে বুঝে ধারে কাছে গেছ তো সেই মনোহর মায়াবী টোপ, আসো, আসো বলে ডাকতে থাকে–তার গায়ে বৈদ্যুতিক আকর্ষণ আছে। স্যাট করে সে নিজের গায়ে সেঁটে নেবে–যেন গায়ে তার এ.সী.কারেন্ট !

–প্রমী, প্রমী, প্রমী, মায়ের চীত্কার শুনে বিরক্ত হয় রণ। মায়ের ওপর ঝাঁজিয়ে ওঠে সে, ওরে দেখে রাখতে পার না, কোথায় যায় ও ?

–আমার তো সব জালা, সব দেখা শুনা কি আমারেই করতে হইব? তুই দেখ না, তর বোইনডা কৈ গেছে, মা বলে ওঠে ।

–দেখতাছি তো, রণর ভীষণ রাগ হয়। ঢেমনি বোন সুযোগ পেলেই কোথায় লাপাতা হয় কে জানে! ইদানীং উড়ুউড়ু মন হয়েছে ওর–কোন্ দিন যে পুরুষালি টোপ গিলে বসে থাকবে–আর ঝুলে থাকবে শূন্যে !

গেল কোথায় প্রমী? নেই–আশপাশ যত দূর চোখ যায় কথাও নাই। পুকুর ঘাটের কাছে এসে দাঁড়ালো রণ। দেখল ঘাটে বৌরা কাপড় কাচছে,এক পাশে কাঁচা ডাঁসা  মেয়েরাও রয়েছে! রণ দেখল, না, এখানে প্রমী নেই। হঠাৎ ওর চোখ আটকে গেল যুমার দিকে–আই বাস, মনে মনে বলে উঠলো, কি সুন্দর রে তুই যুমা–রণর মনে পড়ে গেল একটা গানের কলি–চুম্মা চুম্মা দে দে…কুঁড়ি থেকেও এ সুন্দরী–চোখ ফেরাতে পারে না রণ–যুমা ভেজা শাড়িতে পারে দাঁড়িয়ে আছে। একটু ঘন ভাবে তাকাবার চেষ্টা করল ও। যুমির সুডৌল জলদ দেহটা সৌন্দর্যের একটা আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে না ! ওর জলদেহ–জল লিপটা শরীরটা,এও এক সাজ বাহার বটে ! শাড়ির বদলে মেয়েদের এমনি জল পোশাক মন্দ নয় ! তারপর জলবিন্দুগুলিও কেমন সুন্দর, যুমির কপালে ফোঁটা ফোঁটা হয়ে লেগে আছে! তার ওপর এখানে ওখানে আনাচে কানাচে এমনি বস্ত্র ভাঁজ থাকলে খারাপ লাগে না–কোন ডিজাইন করা বর্ডারের মত আর কি !

রণ দেখেছে কুঁড়িকে আর তার ভালো লাগে না। কুঁড়ির কুঁড়ি অনেকদিন আগেই ফুটে গ্যাছে–বলতে গেলে বাসি হয়ে গ্যাছে। যেমন কুঁড়ির আগে চম্পা ঝরে গিয়েছিল তার  থেকে। সব টোপ খাওয়া–রণ ও টোপ ফেলেছিল–সে টোপ গিলে চম্পা ঝুলে গ্যাছে। এখন কুঁড়িও ফুটে বুড়ি হয়ে গেছে ! ও ভাবলো এবারে যুমার জন্যেই সুন্দর ছিপের আধার ফেলে রাখবে–শাললা, এটাই কি ভাল…বাসা !

প্র্মীর কথা মনে হতেই মাথাটা ওর জ্বলে উঠলো। বেলা বারটার রোদ, মনে হল–মাথার ঘিলু পর্যন্ত তাপ পৌঁছে গ্যাছে। পুকুর পার থেকে নেমে এলো ও। দূরে মাঠ আর মাঠ–তাতে কোথাও কোথাও কাজ চলছে–নাঙল চলছে–আগামীর বীজ বপনের প্রচেষ্টা–বর্ষার বর দানের অপেক্ষা ।

দূরে বট গাছের দিকে তাকাল রণ। আবছা আবছা দেখা যাচ্ছে, আশপাশে  ঝোপ ঝাড় হয়ে আছে। তারই ফাঁক ফোঁকর গলে তার চোখে পড়লো লাল একটা রং…শুরুতে চোখ তার মুহূর্তের জন্যে জ্বলে উঠেছিল, তার পরক্ষণেই নিভে গেল–হ্যাঁ, অন্য কেউ নয়–আজ প্রমী, ওর বোন লাল শাড়ি পরেছে। ওটাই হবে প্রমী –কারো টোপ গিলতে চলেছে–রাগে রণর এক পাটি দাঁত অন্য পাটিতে চেপে বসলো। সামনেই দু তিন হাত লম্বা শক্ত বেঁকা কোঁকা লাঠি পড়ে ছিল, সেটা হাতে তুলে নিলো। আর হনহন করে প্রায় দৌড়াবার মত চলতে থাকলো বট গাছের দিকে। দেরী করা চলবে না–শেষে যদি প্রমী টোপ গিলে ঝুলে যায়! নিজের বোনকে চোখের সামনে টোপ গিলতে কোন্ দাদা দেখতে চায় ? হ্যাঁ, নিজে যত খুশি মাছ গাঁথ না কেন–সেই যে কি গান আছে না—গুরুজী, কি মাছ ধরিলা বড়শী দিয়া ? হঠাৎ রণর যেন সম্বিত ফিরল, ধুত এ সব মনে করার মত সময় এটা নাকি !

এদিকের দৃশ্য এখন বড় ঘন ঘেঁষা চলছিল। বাঁশির খোঁজ নেই–সে বেচারা কোন চুলোয় পড়ে আছে কে জানে। প্র্মীর গাল টেনে চুম্মার পর চুম্মা সেঁটে দিয়েছে রাখল। এ যে আজের রাখাল–কেষ্টের সাগরেদ–কেলো কেষ্ট ! আজের রাখাল রক্তের স্বাদ জানে। বন জঙ্গল না হলেও তার সান্নিধ্য তার মনের গহনে অনুভব হয়। তার শুরুর সহজ সরল ইচ্ছেগুলি আজ মরে গ্যাছে। এক মৃগ মন ছাড়িয়ে এখন সে ব্যাঘ্র মনে প্রবেশ করেছে। তাই রক্ত তার ভালো লাগে–শিকার করতে তার আনন্দ হয়–শরীরের মধ্যেও রক্তের উৎক্ষেপণ সমান তালে চলতে থাকে। ভালবাসার মাঝের সৎ সততা এখন কোথায় যেন উবে গ্যাছে ! সে বন জঙ্গল প্রকৃতি আজ অনেক দূরে সরে গ্যাছে–মায়া মমতা বন্ধন ক্রমশ:আলগা হয়ে গ্যাছে। শহরের মত গ্রামের পরিবেশও আজ সম ভাবে দুষিত হয়ে এসেছে। যুগের হওয়া সবার গায়েই হু হু করে লাগতে যে !

প্রমী রাখালের ঠোঁট সরিয়ে দিতে পারে নি, বড় ধার ঠোঁট, প্রতি চুম্ব চাটনে মনে হচ্ছিল প্র্মীর অনেক যন্ত্রণা যেন তার শরীরে কিলবিল করছিল। হাজারো পোকা কুট কুট করে কেটে চলছিল তার দেহ। রাখাল, রাখাল…প্র্মীর মনের ভিতর ..কি…বুকের ভিতর…কোথা যেন অবলীলাক্রমে এক জপ হয়ে চলেছিল…

ভালবাসা তো অন্ধ কিন্তু ভলোবাসতে গিয়ে শরীর বিপাকের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার–সেটা শরীর কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে–ভালবাসা উবে যেতে থাকে বাষ্পের মত–লাখালের বাষ্পায়িত ভালোলাগার আঙুল  ফিরে ফিরে শেষে খুঁজেনিয়ে ছিল প্র্মীর সেই কোমল স্থান, সেই আবরণ বাধা পেরিয়ে সযত্নে আগলে রাখা নারীর ভুবন সে খুঁজে পেয়ে ছিল। চেতন অবচেতনের মাঝখানে ছিল ওদের আধ শয্যা।  আর ঠিক এমনি সময় একটা–একটা শব্দ ওদের কানে এসে পৌঁছালো–প্রমী, এক দীর্ঘ চীত্কার !

কয়েক মুহূর্ত মাত্র সময় যেতে না যেতে রণ তার হাতের শক্ত মুঠোয় ধরা লাঠি নিয়ে পৌঁছল বট বৃক্ষের কাছে–ওই তো প্রমী, তার বোন, রাখালের দেহ জড়িয়ে পড়ে আছে ! শরীরের সব রাগ যেন মাথায় চালান হয়ে গেল রণর। সে গায়ের জোর নিয়ে রাখালের মাথা  তাক করে মোক্ষম এক বাড়ি কসাল। কিন্তু এ কি হোল ! সঙ্গে সঙ্গে প্র্মীর মুখ থেকে আচমকা চাপা চীৎকার বেরিয়ে এলো। রণ দেখল প্র্মীর মাথায় গিয়ে সে আঘাত লেগেছে ! প্র্মীর দেহ এক পাশে নেতিয়ে পড়লো–মাথা ফেটে দরদর করে রক্ত ছুটে আসতে লাগল…

রাখালের বাঁশি তখন নিরুদ্দেশ–সে দেখল রণ, ওই উড়নচণ্ডী গুণ্ডা ছোঁড়াটা লাঠি তুলে তার সামনে–বুঝতে করলো–সামনে তার যম দাঁড়িয়ে–এলানো শরীর সে এক ঝটকায় দাঁড় করিয়ে নিলো–আর সঙ্গে সঙ্গে আঁকাবাঁকা আল পথ না ধরে সে সটান দূরের জঙ্গলের দিকে ছুটতে লাগলো।

গর্জন করে উঠলো রণ, হাতের লাঠি তার শক্ত মুঠোয় ধরা।  আজ ছাড়াছাড়ি নেই, রাখালের মৃত্যু আজ তার হাতে।

প্রাণপণে ছুটে চলেছে রাখল, পেছনে মারণ মুখী রাবণ, ধরা পড়লে আর রক্ষে নেই। চরম প্রতিশোধ স্পৃহা নিয়ে ধেয়ে আসছে সে। রাখল দেখল আর ক’পা দূরেই জঙ্গল—ওখানেই তবু শ্বাপদ সঙ্কুলের  সাথে ও মিশে যেতে পারবে।

রণ জঙ্গলের এপাশ ওপাশ অনেকটা জাগা নিয়ে হন্যে হয়ে রাখালকে খুঁজে বেড়াল। তখনও তার দাঁতে দাঁত চেপে ধরা ছিল।

চীৎকারের আওয়াজে আশপাশ খেতখামার থেকে কিছু লোক ছুটে এলো বট গাছের তলে। দেখল প্র্মীর দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে। মাথা ফেটে অনেক রক্ত গড়িয়ে পড়েছে মাটিতে। নিশ্চুপ হয়ে আছে তার শরীর। রণ ফিরে এসে, প্রমী, বলে চীৎকার করে ডেকে উঠলো ও। কোন সাড়া নেই প্র্মীর শরীরে। ও কি তবে অনন্ত ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে?

হ্যাঁ,তাই হল–প্রমীর দেহটা সত্যি নিষ্প্রাণ অনড় হয়ে পড়ে থাকলো ।

Latest posts by তাপসকিরণ রায় (see all)

  • টোপ - ফেব্রুয়ারী 17, 2014