ফটোগ্রাফি আরণ্যক ছোটগল্প

ফটোগ্রাফি

আরও পড়ুন

আরণ্যক

আরণ্যক

ছোটগল্প

ছোটগল্প

সাম্প্রতিক প্রকাশনা

শুভ নববর্ষ

আজ থেকে প্রায় বছর পাঁচেক আগে আমরা ‘ও কলকাতা’ শুরু করেছিলাম পয়লা বৈশাখের আরও পড়ুন

কলকাতা কেন পুরনো হয় না

কলকাতা একটা গল্পের মত – এক একটি দৃশ্যের পিছনে, খুব চেনা পরিচিত কিছু মানুষ, ক আরও পড়ুন

বিরূপাক্ষ কথা (তৃতীয় পর্ব)

আগের পর্ব বিরূপাক্ষ কথা #১১ কফির কাপটা সশব্দে টেবিলে রেখে চলে যাওয়ার সময় বউ আরও পড়ুন

বিরূপাক্ষ কথা (দ্বিতীয় পর্ব)

আগের পর্ব বিরূপাক্ষ কথা #৬ ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে বিদেশে একটা ভালো চাকরি পেয়ে আরও পড়ুন

বিরূপাক্ষ কথা (প্রথম পর্ব)

বিরূপাক্ষ কথা  #১ দু বছর ধরে বন্ধ থাকার পর আজ সকালে যখন বিরূপাক্ষ বাবুর নাকটা আরও পড়ুন

বোধন

স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল পরমা। অপু দুর্গা ইতিমধ্যেই চলে গেছে। মোবাইলটা বাজছিল। কপালে সিঁদুরের টিপ টা পড়তে পড়তে ব্যস্ত হাতে ফোনটা ধরল পরমা। সরাসরি ইস্টার্ন কমান্ড থেকে ফোন।

পয়লা আষাঢ়

বৃষ্টি আমার কৈশোর, কিন্তু বর্ষা আমার প্রেম। তাই বলে কৈশোরসুলভ অপাপবিদ্ধ প্রেম নয়; রীতিমত নিষিদ্ধ এবং দু:সাহসী। প্রথম যৌবনে কারও কোমরে হাত দেওয়ার মত, তাও আবার দক্ষিণ ভারতে, শিরুভানি জলপ্রপাতের সামনে।

সিনেমার কুইজ – ৫

আজ যে সিনেমাটি নিয়ে আমাদের প্রশ্ন,তার পরিচালক ছিলেন আর্কেওলজিকাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার কর্মচারী।

লাল পাহাড়ির দেশে

রাস্তাটা সত্যিই সুন্দর। একে-বেঁকে এগিয়ে গেছে। জন মানুষ নেই, গাড়ি – ঘোড়া ট্রাফিক জ্যাম নেই, বিষাক্ত বাতাস নেই, আর অসহ্যকর হর্নের আওয়াজ ও নেই। দুপাশে জঙ্গল, খানিকটা দূরে দূরে পুরুলিয়ার ট্রেডমার্ক টিলা পাহাড় চোখে পরছে। আজ সকালেই আমরা এসে পৌঁছেছি বরন্তী – তে। পুরুলিয়া জেলার এই গ্রাম,কলকাতাবাসীদের উইক-এন্ড গন্তব্য হিসেবে চমৎকার। বিশাল বড় একটা লেক, জঙ্গল, ছোট ছোট টিলা পাহাড় আর সর্বোপরি অপার শান্তি।

বীরভোগ্যা বসুন্ধরা

শ্বাপদসঙ্কুল অরণ্য আজ মহারাজের উদ্যোগে আপাতভাবে নিরাপদ। এই অরণ্য তার রাজ্যকে জন্ম দিয়েছে। অরণ্যের অশির্বাদধন্য রাজধানী বসুন্ধরা পেয়েছে তার বাসভূমি, ভবন নির্মাণের ও ব্যবহারের প্রয়োজনীয় কাঠ আর খাদ্য। রাজা বীরভদ্র পেয়েছেন তার বীরত্বের গর্ব আর শ্রেষ্ঠ রাজার সম্মান।

সিনেমার কুইজ – ৪

ক - অভিনেতা হিসাবেই তিনি মূলত পরিচিত , তিনি বেশ কিছু ছবি পরিচালনাও করেছেন । তার মধ্যে দুটি হিন্দি ছবি হল : খ (যাতে গ অভিনয় করেন) এবং ঘ (যাতে চ অভিনয় করেন)।

বেহায়া

ঘুরন্ত ফ্যানের দিকে তাকিয়ে দুপুরের কথাগুলোর জাবর কাটতে কাটতে কখন যে চোখ লেগে এসেছে টেরই পাননি দিলীপবাবু। হঠাৎ দেখলেন সারা ঘরে লাল আলো জ্বলছে। টকটকে লাল। খাটের ঠিক সামনেই দাঁড়িয়ে আছে যাদববাড়ির মেয়েটা।